তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধতা পেলে যে দূর্নীতি আরে বাড়বে, এই কথা ফেলে দেয়া যায় না।
ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধতা পেলে দুর্নীতি বাড়বে এই কথার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না। কারণ যারা দুর্নীতি করে বা করবে তাদের অনেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্বন্ধে তেমন কোনো জ্ঞান রাখে না। এবং ভবিষ্যতেও রাখতে পারবে না। তারা মারা গেলে তাদের এই ক্রিপ্টোকারেন্সি কি হবে? তার উত্তরাধিকারীরা ব্যবহার করতে পারবে কিনা এই দ্বিধাদ্বন্দ্বের জন্য তারা ব্যবহার করবে না? আবার ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রাইস যেমন আপডাউন করে এতে তারা ভীত হয়ে পড়বে। আপনি যদি নায়ক নায়িকাদের সম্বন্ধে একটু পড়াশোনা করেন তাহলে দেখবেন অনেক নায়ক-নায়িকার ফেসবুক প্রোফাইল হ্যাক। সেখানে দুর্নীতিবাজদের ক্রিপ্টোকারেন্সি কিভাবে রক্ষা পাবে তা তারা 2/4 দিন গেলেই বুঝতে পারবে। তারা আগ্রহী হলেও পরবর্তীতে তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
আমার মনে হয়, ক্রিপ্টো বৈধতা পেলে বাংলাদেশে, অর্থ পাচারের নতুন দরজা খুলে যাবে আর দুর্নীতির টাকা ত বাদি দিলাম। যেখানে ই-কর্মাস সাইটের মাধ্যমে প্রায়ই শুনি, অর্থ পাচার হচ্ছে অথবা দুর্নিতির টাকার বিভিন্ন মাধ্যমে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ক্রিপ্টো রিগুলেশন ছাড়া, লিগ্যাল করে দিলে রিস্ক থেকেই যায়। ব্যপারগুলো কমপ্লিকেট কিন্ত যদি লিগ্যাল করে দেয়, এটার মাধ্যম ছড়াতে সময়ে লাগবে না, যেমটা আমরা অন্য সব দেশের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবো, আর হাই ইনফ্লেশন দেশের দিকে তাকালে বুঝতে পারবো, তারা কি পরিমান ক্রিপ্টোর উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছে।