কিছু সুবিধাবাদী লোক মনে করেছিল যে তারা সেন্ট্রালাইজ্ড এক্সচেন্জ চালিয়ে বড়লোক হবেন। তাদের মধ্যে একজন চার্লি শ্রেম (
ইয়াঙ্কি (বিটইন্সট্যান্ট))। তিনি একজন তরুণ উদ্যমী, যিনি কলেজে পড়ার সময়ে বিটকয়েন এডপ্ট করেছেন। পরে তিনি BitInstant চালু করেন, যা প্রথম ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জগুলির মধ্যে একটা এবং এক সময় পুরো বিটকয়েন লেনদেনের প্রায় ৩০% সেখানেই হতো। পরবর্তীতে লাইসেন্সবিহীন মানি ট্রান্সফার ব্যবসা পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য তাকে জেল খাটতে হয়। তাকে "
বিটকয়েনের প্রথম অপরাধী"ও বলা হয়।
শ্রেমের কেস এর পর থেকে, বিটকয়েনারদের সাথে প্রশাসন আরও কঠোর হতে শুরু করে। ২০১৮ সালের এর একটা
আর্টিকেল এ জানানো হয়েছে যে
"তথাকথিত "বিটকয়েন মাভেন", যিনি লাইসেন্সবিহীন বিটকয়েন-ফর-ক্যাশ এক্সচেঞ্জ ব্যবসা এবং বিটকয়েন লন্ডারিং করার কথা স্বীকার করেছেন [...] তাকে আজ ১২ মাস এবং এক দিনের ফেডারেল কারাগারে সাজা দেওয়া হয়েছে, $20,000" জরিমানা এবং ৩ বছরের সুপারভাইজ্ড রিলিজ দেয়া হয়েছে।মানি লন্ডারিং সত্যিই এক ধরনের ভয়ানক অপরাধ। এটা অন্যদিক দিয়ে বললে, এটা একটা দেশের জন্য অর্থনৈতিক হুমকি। এত বড় অন্যায় বা অপরাধের শাস্তি কম দেয়া হয়েছে বলে আমার মনে হয়।
যেখান থেকে টোটাল বিটকয়েনের ৩০% লেনদেন করে থাকেন! তার মানে এই সাইডের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়তেছিল। আসলে বিষয়টা হচ্ছে যে, মানুষের সুখে থাকতে ভুতে কিলায়। সেই সাথে আরো একটা কথা বলা যায়, "লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।" পৃথিবীতে অনেক বড় মনের মানুষ আছে। যারা অনেক প্রফিট থাকা সত্ত্বেও জনগণের সুযোগ-সুবিধা কোথায় চিন্তা করেন। আল্লাহ যার কপালে যতটুকু দিয়েছেন, ততটুকু নিয়ে সুখে থাকাই উত্তম।
যদি সেই মানি লন্ডারিং এর মত অপরাধটা না করতো। তাহলে সে বিটকয়েনের একজন সফল ব্যবসায়ী হয়ে যেতেন।
সত্যি এই লেখাটা দারুন ছিল। অনেক জ্ঞান সম্পন্ন ছিল। ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না @Learn Bitcoin ভাই এবং এই কন্টেন্টের মূল লেখক @