বিশেষ সতর্কতা!
যারা বিটকয়েন নিয়ে কাজ করছেন বা লেনদেন করছেন আপনারা একটু সতর্ক থাকবেন আশা করি, গতো পোর্শুদিন রাতে
'আবু তালেব, পারভেজ' সহো আরো ৮জন কে কুমিল্লা গোয়েন্দা পুলিশ ধরেছে, এদের ধরার সময় তাদের কাছে বেশ কয়েক হাজার বিটকয়েন পেয়েছে, বিটকয়েন ব্যবহার করা যায় এমন কিছু এলেক্টিক ডিভাইস ও পেয়েছে। আপনারা সবাই একটু সাবধানে থাকবেন। আর নতুন কারো সাথে লেনদেন করার থেকে বিরত থাকেন।
এই নিউজ কোথায় পাইছেন? এমন কোনো নিউজ আমার চোখে এখনো পরেনি। আর কোন কোন প্রমাণ ছাড়া কোনো প্রকার নিউজ শেয়ার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করাটা ঠিক না। আপনি সবাইকে সতর্ক করতেছেন এটা অনেক ভালো কাজ এবং এর আগেও এই বিষয় নিয়ে কয়েকটি পোস্ট হয়েছে। আমি আপনার পোস্ট নেগেটিভ হিসেবে নিচ্ছি না তবে আপনার এই পোস্টের সাথে যদি কোন নিউজ এর লিংক কিংবা ভিডিও লিংক থাকতো তাহলে বিষয়টি কতটুকু সত্য তা বুঝা যাইতো। যেহেতু বাংলাদেশে বিটকয়েন ও অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধ নয় তাই অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকাটা কাম্য। বাংলাদেশ এখন অস্থিতিশীল অবস্থা চলতেছে এবং বিভিন্ন কিছু ঘটতেছে যা বাংলাদেশের প্রশাসনের থেকে আশা করা যায় না। আমাদের এইখানে কয়েকজন রাত ১০ টার দিকে একটি রেস্টুরেন্ট থেকে জন্মদিন পালন করে ফেরার সময় ১০-১২ জনকে পুলিশ ধরে এবং জংগী বলে থানায় নিয়া যায় যদিও ১ দিন পরে ছাইড়া দেয়। সামনে নির্বাচন তাই দেশে এখন অনেক কিছুই ঘটতেছে এবং আরো ঘটবে। এখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হলো সন্ধ্যা ৬ টার পর বাসার বাইরে না থাকা এবং যে দিন কোন দলের মিছিল, মিটিং, সম্মেলন যাই থাকুক না কেন সেদিন বাসায় থাকা।
সংবাদে এখোনো আসেনি, তবে এটা সত্যি। কুমিল্লাতে যদি কোনো আত্তিও ও পরিচিত কেউ থেকে থাকে খবর নিতে পারেন ।
অনেকেই দেখি বলে পুলিশ সবার ফোন চেক করতেছে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি সাথে জরিত কিনা সনাক্ত করার জন্য আমি নিউজ টি দেখি নাই, কেউ কি দেখছেন?
পুলিশ জনগণের ফোন চেক করছে এটা সত্য তবে এটা করেছিল ২৮ তারিখের যে BNP এর প্রোগ্রাম ছিলো সেদিন নয়া পল্টনের দিকে যে বাসগুলো বা গণপরিবহন গুলা চলছে পুলিশ সেগুলা চোখে চোখে রাখছে আর যে গাড়ির যাত্রীদের সন্দেহজন মনে হয়েছে বা কোন সোর্সের মাধ্যমে পুলিশ কোন গাড়ির কথা জানতে পারছে যে সেখানে কোন সন্দেহে বচন ব্যক্তি আছে সেগুলারে পুলিশ সার্চ করছে এবং তাদের মোবাইল নিয়েও সার্চ করা হয়েছে এই ঘটনা সত্য তবে এটা ক্রিপ্টো ব্যবহারকারীদের ধরার জন্য এমন অভিযান ছিল না।
ভাই কথাটি সত্যি ২৮ তারিখে যে বিএনপির সমাবেশ হয়েছিল সে সমাবেশ শুধু ঢাকা নয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটা জেলাতেই পুলিশ যাদেরকে সন্দেহের চোখে দেখেছি প্রত্যেকের সবকিছু সার্চ করেছে। শুধু যে বিএনপি করে তাকে সার্চ করছে জামাত করে তাকে সার্চ করছে এমনটি কিন্তু নয়। অনেক সাধারণ জনগণ এই পুলিশের মিথ্যা সন্দেহের শিকার হয়েছে অথচ তারা বিএনপিও করে না জামাতে করে না নিরপক্ষ তাদের পুলিশ অনেক হয়রানি করছে। হয়তোবা এই কারণে আমরা যারা বিটকয়েনে কাজ করি যদি কখনো আমাদের কে সন্দেহ করে আমাদের ফোন চার্জ করে ।তাহলে যদি বিটকয়েন সংক্রান্ত কোনো কিছু পুলিশ দেখতে পায় এর জন্য মূলত হয়তো সবাই আমাদেরকে সতর্ক হতে বলছে। আমরা অবশ্যই চাইবো যে আমাদের সাথে যেন এরকম ঘটনা না ঘটে সতর্কতা অবলম্বন করতে তো আর দোষ নেই।তার কারণ পুলিশ কখন কি করে সেটা বলা মুশকিল।