শেখ হাসিনার সময় সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে পুলিশকে সকল ডিসিশন দিয়ে দেওয়া হতো এর কারনেই তারা সকল রাজনৈতিক নেতা খেতাদের সব কিছুতে ছাড় দিয়ে যেত আর অত্যাচার চালাতো সাধারণ মানুষের উপর এর কারনেই পুলিশের উপর সবার এতো খোব। পুলিশকে সবাই খারাপ চোখে দেখে। অথর্চ পুলিশ জনগণের বন্ধু হবার কথা।
গতকালকে আমি মাবরুর রশিদ বান্নাহ’র পেইজের একটা পোষ্ট এর কমেন্টে এ দেখেছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একজন পুলিশ তাদের হত্যাকান্ডের ভিডিও দেখাচ্ছে এবং বলছে,
“স্যার, যেটারে গুলি করি, সেটাই শুধু পড়ে থাকে, আর বাকি গুলো পালায় না। এটাই সবচাইতে আতংকের ব্যাপার স্যার”। আর মন্ত্রী সাহেব ভিডিওতে দেখছে পুলিশ কিভাবে ছাত্রদেরকে হত্যা করছে। এই ভিডিওতে আসলে তাদের মুখোশ খুলে গেছে যে কাদের অর্ডারে আসলে এসব হত্যাকান্ড হয়েছে।
বর্তমান সরাষ্ট্র উপদেষ্টা পুলিশের দাবিগুলো মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। যার ফলে, পুলিশ কর্মবিরতী স্থগিত করে কর্মস্থলে যোগদান করতে শুরু করেছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছিলেন যারা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে কর্মস্থলে যোগ দিবে না, আমরা ধরে নেবো তারা চাকরী করতে আগ্রহী না।