
সোর্সঃ বিবিসি বাংলা।
আমার কাছে মনে হচ্ছে এতো কিছুর মানে একটাই বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে যাচ্ছে । তারমানে আগের কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে বলে মনে হচ্ছেনা। অনেক বড় একটা সম্ভাবনা আছে যে এর পরে বাংলাদেশের ক্ষমতা তরুনদের হাতে চলে যাবে। আবার অনেক অনেক দল থেকে নতুন দলে যোগ দিবে।
এখন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে বিচার বিভাগ ও নাগরীক অধিকারের ক্ষেত্রে কি ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সেদিকে । এতো সহজে সবকিছুর সমাধান হবে বলে মনে হচ্ছেনা। কারন সবার ক্ষেত্রে ব্যাবস্থা গ্রহন করা অনেক কোঠীন।
আমার সঠিক মনে নেই আমি এ বিষয়ে কোথায় আলাপ করেছি কিন্তু করেছি এটা মনে রয়েছে হতে পারে আল্টকয়েনটক ফোরামে।
যাইহোক আমি আগেই বলেছিলাম অনেকেই হয়তো উপদেষ্টা প্যানেলে স্টুডেন্টদের পক্ষ থেকে জাস্ট দুইজন সমন্বয়ককে দেখতে পেয়ে হতাশা হয়েছেন, এবং পাশাপাশি অনেকের মধ্যে এই ধারণা ছিল এখন হয়তো সমন্বয়ক সারজিজ ক্ষুব্দ হতে পারে হয়তোবা অন্য কোন দলের সাথে হাত মিলাতে পারে অথবা তার ভেতরে ঈর্ষা তৈরি হতে পারে।
তবে না আমরা অলরেডি সমন্বয়ক নাহিদকে বিভিন্ন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলতে শুনেছি যে তারা ইয়াং জেনারেশনকে রাজনীতি মুখে করতে চায়। আর এই কথার ইঙ্গিত হচ্ছে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় যতদিন থাকবে ততদিন হয়তো স্টুডেন্টরা নিয়ে তৃতীয় কোন একটি রাজনৈতিক দল তৈরি করবে সামনের গণতান্ত্রিক নির্বাচন এর জন্য।