
সম্প্রীতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের পারস্পারিক শুল্ক Reciprocal Tariffs) আরোপ করেছে যেখানে বিভিন্ন দেশের উপর বিভিন্ন পার্সেন্টেজের ভিত্তিতে পারস্পারিক শুল্ক আরোপ করেছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ৫২% এবং ডিসকাউন্ট ২৬%। চায়না ৬৭% এবং ডিসকাউন্ট ৩৪% পার্সেন্ট। এভাবে বাংলাদেশের ৭৪ পার্সেন্ট এবং ডিসকাউন্ট ৩৭% । বিষয়টি আমার কাছে ক্লিয়ার নয় বাংলাদেশের পারস্পরিক শুল্ক ভারতের চেয়ে বেশি এর মানে কি? Reciprocal Tariffs বেশি হলে ভালো না কম হলে ভালো এটা কেউ যদি জেনে থাকে একটু ক্লিয়ার করে বলবেন।
ভারত আমেরিকান প্রোডাক্ট এর উপর ৫২% কর বসাইছে তাই আমেরিকা তার অর্ধেক ২৬% ভারতের প্রোডাক্টে বসাইছে। একইভাবে চায়না ৬৭% কর বসাইছে আর আমেরিকা তার অর্ধেক ৩৪% বসাইছে একইভাবে বাংলাদেশ আমেরিকান প্রোডাক্টের উপর ৭৪% কর বসাইছে যার ফলে আমেরিকা বাংলাদেশী প্রোডাক্টে ৭৪ এর অর্ধেক ৩৭% বসাইছে। বাংলাদেশের উচিৎ আমেরিকান প্রোডাক্টের উপর কর ৩০% এ কমিয়ে আনা তাহলে আমেরিকাতে বাংলাদেশী প্রোডাক্টের উপর কর পরবে ১৫% যার ফলে বানগ্লাদেশে আমেরিকান প্রোডাক্টের দাম কমবে এবং কম কর দিয়ে বাংলাদেশের প্রোডাক্ট আমেরিকার বাজারে ঢুকবে।
এই কর আগে ছিলো না। আমেরিকা সুপারপাওয়ার তাই কর ছিলোনা। ট্রাম্প সুপারপাওয়ার চায় না সে ব্যাবসায়ী মানুষ সে চায় টাকা। তাই সে এই কর বসাইয়া দিছে।