গতকালকে আমি মাবরুর রশিদ বান্নাহ’র পেইজের একটা পোষ্ট এর কমেন্টে এ দেখেছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একজন পুলিশ তাদের হত্যাকান্ডের ভিডিও দেখাচ্ছে এবং বলছে,
“স্যার, যেটারে গুলি করি, সেটাই শুধু পড়ে থাকে, আর বাকি গুলো পালায় না। এটাই সবচাইতে আতংকের ব্যাপার স্যার”। আর মন্ত্রী সাহেব ভিডিওতে দেখছে পুলিশ কিভাবে ছাত্রদেরকে হত্যা করছে। এই ভিডিওতে আসলে তাদের মুখোশ খুলে গেছে যে কাদের অর্ডারে আসলে এসব হত্যাকান্ড হয়েছে।
বর্তমান সরাষ্ট্র উপদেষ্টা পুলিশের দাবিগুলো মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। যার ফলে, পুলিশ কর্মবিরতী স্থগিত করে কর্মস্থলে যোগদান করতে শুরু করেছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছিলেন যারা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে কর্মস্থলে যোগ দিবে না, আমরা ধরে নেবো তারা চাকরী করতে আগ্রহী না।
এই পোষ্ট এর কমেন্ট সেকশনে গিয়ে ভিডিওটা দেখতে পারবেন
https://www.facebook.com/share/p/nEpdxM63UxtnYKpM/
সোর্সঃ বিবিসি বাংলা।
আমার কাছে মনে হচ্ছে এতো কিছুর মানে একটাই বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে যাচ্ছে । তারমানে আগের কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে বলে মনে হচ্ছেনা। অনেক বড় একটা সম্ভাবনা আছে যে এর পরে বাংলাদেশের ক্ষমতা তরুনদের হাতে চলে যাবে। আবার অনেক অনেক দল থেকে নতুন দলে যোগ দিবে।
এখন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে বিচার বিভাগ ও নাগরীক অধিকারের ক্ষেত্রে কি ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সেদিকে । এতো সহজে সবকিছুর সমাধান হবে বলে মনে হচ্ছেনা। কারন সবার ক্ষেত্রে ব্যাবস্থা গ্রহন করা অনেক কোঠীন।
ছাত্ররা নতুন করে দল গঠন করবে এটা খুব সম্ভবত বাংলাদেশের বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে জনপ্রিয়তা পেলেও তরুণদের দল চালাতে গেলে হিমশিম খেতে হবে। আমার মনে হয় জনপ্রিয়তা দেখে তৃতীয় কোন পার্টি এদের কলকাটি নাড়াচ্ছে। তরুণেরা দল চালাতে পারবে কিনা এটা কেবলমাত্র দেখার বিষয়। তবে পরবর্তী প্রজন্ম নতুন কোন দলের আওতায় আসতে পারে এরকম সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া একদম উচিত হবে না।