আর বিটকয়েন বা ক্রিপ্টো সম্পর্কে তার কোন নির্দিষ্ট বক্তব্য আমি খুঁজে পাইনি। সত্যি কথা বলতে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসলো এই জিনিসটাই আমি বেশি খোঁজ করেছি। তবে আমি আশাবাদী আছি এই বিটকয়েন বা ক্রিপ্ত কারেন্সি লিগালাইজেশন নিয়ে যদি এই সরকার একটু দীর্ঘ সময় থাকে। কারণ আপনি যদি দেখেন বর্তমানে আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছে সেগুলো তরুণ এবং তরুণদের মধ্যে অবশ্যই ক্রিপ্ত নিয়ে পজিটিভ চিন্তাভাবনা রয়েছে।
আসলে সরকার প্রধানের ওপরে এটা ডিপেন্ড করবে না যদি সরকার স্বৈরাচার না হয়। যেহেতু ড. ইউনুস এরকম কেউ না, তিনি এই ব্যাপারে তেমন কোনো মাথা ঘামাবেন না। তবে যেহেতু অনুমোদনের ব্যাপার আছে, ওনাকে এই ব্যাপারে বুঝিয়ে বলতে পারলে হয়তো উনি রাজি হতে পারেন। ক্রিপ্টোকারেন্সি লিগালাইজেশন পুরোটাই ডিপেন্ড করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর ওপরে। এখন নাহিদ চাইলেও হুট করেই ক্রিপ্টো বৈধ ঘোষনা করতে পারবেন না। বাংলাদেশ ব্যাংক এর সাথে আলাপ এর মাধ্যমে এগুতে হবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর পদে যে লোক গুলো বসছেন, ওনারা এই সম্পর্কে কিছুই জানে না। হয়তো ওনাদের সাথে বসে এর ভালো এবং খারাপ দিক গুলো আলোচনা করে তাদের মত পরিবর্তন করতে হবে, অথবা ইয়াং জেনারেশনের কেউ আসা অব্দি অপেক্ষা করতে হবে।