এখন বর্তমানে বিকাশ একাউন্টে টাকা ঢুকাই কারণ ব্যাংক থেকে আমাকে অলরেডি স্টেটমেন্ট দিতে বলেছিল আমার আরনিং সোর্স এর।
আপনার কি ব্যাংক একাউন্ট student নাকি? কারণ সাধারণ ব্যাংক একাউন্টে কখনো আর্নিং সোর্স দিতে বলে নাহ, আমাকে কোনোদিন বলেনি আর কি। তবে যেই একাউন্টটা student হিসেবে খোলা হয় এবং আপনি ৫০ হাজারের উপরে লেনদেন করতে যাবেন, ব্যাংক আপনার একাউন্ট Freeze করবে এবং আর্নিং সোর্স দেখাতে বলবে।
আর সাধারণ একাউন্ট খোলার সময় পেশা বলবেন যে, ফ্রিল্যান্সার এবং আপনি বাহিরের এবং দেশের কিছু ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করে। আর কোনো কিছু লাগবে নাহ এবং ব্যাংক ম্যানেজার আরো খুশি হবে, কারণ তাদের ব্যাংকে টাকার লেনদেন আপনার জন্য বাড়বে।
এই ব্যাপারে বলতে গেলে আমাকে ব্যাংক একাউন্ট খোলার ইতিহাস বলতে হবে, তখন কেবল কেবল আমি একটু একটু আর্নিং শুরু করেছি তাও আবার bitcointalk এবং ক্রিপ্টো স্পেস থেকে।
এবং দেখলাম যে বিকাশ একাউন্টে টাকা সেভিংস হচ্ছে না যা পাচ্ছি তাই খরচ করে ফেলতেছি আর সেই সাথে সাথে তো উইথড্র করার অতিরিক্ত ফি এর কথা আপনার জানাই আছে। তখন এক বন্ধুর সাথে আমি সিটি ব্যাংকে যাই অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য কারণ সিটি ব্যাংক এর সার্ভিস অন্যান্য গুলো থেকে ভালো, যখন একাউন্ট খোলার জন্য যাই তখন মূলত তারা স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে ছিল না, যেহেতু ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার এর সাথে আমার বন্ধুর ভালো সম্পর্ক ছিল তাই সে বলল একটা জেনারেল সেভিংস একাউন্ট খোলা যেতে পারে অনেকটাই স্টুডেন্ট একাউন্ট এর মতনই, কিন্তু এইখানে আমার আর্নিং সোর্স হিসেবে দেখাতে হবে যে আমার বাবা আমাকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ একটা টাকা দেয় তো তখন আমি আমার বাবার আয়কর রিটার্ন কপি নিয়ে, টিন সার্টিফিকেট নিয়ে একাউন্টটা খুলি।
এবং কয়েক বছর পরে এখন যখন আমার ওই যে দেখানো একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ এমাউন্ট ওইটার চাইতে দ্বিগুণ টাকা আসতেছে প্রতিমাসে, এবং সেই সাথে সাথে আলাদা কিছু রয়েছে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন দের ধার দেওয়া ইত্যাদি মিলে ট্রানজেকশন দ্বিগুণ এর চাইতে একটু বেশি হয়ে যাচ্ছিল।
আর এই মুহূর্তেই ধরাটা আমি খেয়েছি, ব্যাংক থেকে আমাকে ইমেইল করা হয়েছিল যে আমার আগের দেওয়া আর্নিং বর্তমান ট্রানজেকশনের মিল পাওয়া যাচ্ছে না তাই আমাকে স্টেটমেন্ট দেওয়া এবং আর্নিং সোর্স আপগ্রেশন এর কথা বলা হয়েছিল সেই মেইলে।
পরবর্তীতে আমি আবার ওই ব্যাংকে ওই পরিচিত অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার এর সাথে যখন যোগাযোগ করি তখন সে আমাকে বলে একাউন্ট থেকে তাড়াতাড়ি টাকা উইথড্র করে ফেলো না হলে ফ্রিজ হয়ে যেতে পারে তারপর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উইথড্রো করার পরে এখন আর ব্যাংকের ট্রানজেকশন করি না, এবং সেভিং একাউন্ট এবং হালকা কিছু রাখা আছে।
আর স্টুডেন্ট একাউন্ট ছাড়া অন্য কোন একাউন্ট খুললে তাকে আর্নিং সোর্স দেখাতে হবে বিজনেস করলে বিজনেসের লাইসেন্স দেখাতে হবে, জব করলে সেটা দেখাতে হবে।
এখন আসি ফ্রিল্যান্সার এর কথায়, এখানে আমি পরামর্শ চাইবো যে আমি কি ডকুমেন্টস দেখাবো? কারণ আমাদের আর্নিং তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ক্রিপ্টো থেকে, আর ক্রিপ্ত তো বাংলাদেশে অবৈধ। আর আমরা ডলার টা পাই হল ক্রিপ্টো ওয়ালেটে বা বাইনান্সে এইটা তো আর স্টেটমেন্ট হিসেবে দেখানো যাবে না।
আবার ফ্রিল্যান্সার বললে তারা ফ্রিল্যান্সিং কার্ডও যায়, ঘটনা হইল ফ্রিল্যান্সিং কার্ড তো বাড়ানো যায় কিন্তু যদি তারা আমাকে কাজ শো করতে বলে আমি তখন কি কাজ দেখাবো?
আর ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন এর বিষয়টা সম্পর্কে আপনার কোন অভিজ্ঞতা আছে বা পরামর্শ?