Michael Saylor এর বিটকয়েন ক্রয়ে ইঙ্গিত: Saylor আজকে
সন্ধ্যার সময় টুইট করে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, সে আরো বিটকয়েন ক্রয় করতে পারে। তাই যারা Perp কিংবা Derivative ট্রেডিং করেন, তারা নতুন ট্রেড নিতে পারেন। কারণ মার্কেট ডাম্প করার সম্ভাবনা অনেক। এর আগে যতবারই ক্রয় করেছে, মার্কেট আগে ডাম্প হয়েছিল এবং তার টুইটের পরই মার্কেট ভালো পাম্প করতো। বাকি নিজেরা বিশ্লেষণ শেষ করে ট্রেড নিয়ে।
কালকে রাতে যখন এটি লেখতেছিলাম তখন মার্কেট সেই ডাম্প দিয়েছিলো এবং আমি সেটি লক্ষ্যই করি নাই। পোষ্ট করার পর যখন ঘুমাতে যাবো, তখন দেখি মার্কেট পুরাই লালে লাল

যাইহোক একেবারে সকলে কোনোকিছুতে ট্রেড নিয়েন নাহ, কারণ ১১০ হাজারের নিচে বিটকয়েনের মূল্য গেলে, বিশাল ধরনের মার্কেটে ধস দেখা যেতে পারে। যদিও এটির সম্ভাবনা কম দেখতেছি, দেখি বাকি কি হয়। এখন শুধু অপেক্ষায় আছি যে, আজকে দিন শেষে ETF এর Outflow হবে নাকি Inflow হবে এবং Michael Saylor এর বিটকয়েন ক্রয়ের টু্ইট কখন আসবে। যদি ETF এর Inflow হয় এবং Michael Saylor ও টুইট করে, তাহলে এখান থেকে হয়তো আমরা একটা পাম্প আশা করতে পারে, কিন্তু সেট অবশ্যই অল্প সময়ের জন্য হবে।

আপনি ব্যাংকের জন্য ১২৬.৫-১২৭ করে পান নাকি বিকাশ অথবা নগদে গেটওয়ের জন্য এমন রেট পান। যদি বিকাশ কিংবা নগদের জন্য হয়, তাহলে রেট খারাপ নাহ। আর ডলারের রেট সবসময় এক রকম থাকে নাহ, বিভিন্ন অবস্থার উপর নির্ভর করে কম-বেশি হয়ে থাকে।
ভাই আমি বিকাশ বা নগদে পিটুটি করি সবসময়। ব্যাংকে একটু ঝামেলা মনে হয় আমার। কি ঝামেলা সেটা ভালো করেই জানেন আপনি। বিকাশে যখন ইচ্ছা যা মন চাচ্ছে ঢুকাচ্ছি বের করতেছি! বাট ব্যাংকে ইচ্ছেমতো ঢোকানো রিস্ক আমার মতে। যেহেতু ক্রিপ্টো, তাই সোর্স দেখানো পেরা। আবার নাকি ট্যাক্সের ডকুমেন্টের কাহিনি আছে।
আপনি যদি চেনাজানা কারো কাছে প্রতিমাসে লেনদেন করেন, তাহলে তো ব্যাংকে কোনো সমস্যা নেই। বিশ্বস্ত এবং ভালো লোকের সাথে অবশ্যই এটি করবেন। আর তাকে বলে দিবেন, যদি কখনো আপনাকে বা আমাকে ব্যাংক থেকে এই লেনদেনের বিষয়ে জিঙ্গেস করে, তাহলে বলবো যে, দুইজন মিলে অনলাইনে কাজ করি এবং একজন পেমেন্ট নেওয়ার পর নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করি। কিংবা এমন কোনো কাহিনী যেটা বিশ্বাসযোগ্য আর কি। আর ব্যাংকে লেনেদেনটা অল্প অল্প করে বাড়াবেন, যদি একবারে ৩-৪ লক্ষ টাকা ব্যাংকে নিয়ে নেন, তাহলে ব্যাংক আপনাকে নোটিশ দিবে এবং ধরা খাবেন। যদি প্রতিমাসে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের লেনদেন করে, তাহলে ব্যাংক আপনাকে সন্দেহ তেমন একটা করবে নাহ। কারণ তাদের তো ব্যাংকে cash inflow বেশি হচ্ছে এবং ফি ও পাইতেছে।

এখন বর্তমানে বিকাশ একাউন্টে টাকা ঢুকাই কারণ ব্যাংক থেকে আমাকে অলরেডি স্টেটমেন্ট দিতে বলেছিল আমার আরনিং সোর্স এর।
আপনার কি ব্যাংক একাউন্ট student নাকি? কারণ সাধারণ ব্যাংক একাউন্টে কখনো আর্নিং সোর্স দিতে বলে নাহ, আমাকে কোনোদিন বলেনি আর কি। তবে যেই একাউন্টটা student হিসেবে খোলা হয় এবং আপনি ৫০ হাজারের উপরে লেনদেন করতে যাবেন, ব্যাংক আপনার একাউন্ট Freeze করবে এবং আর্নিং সোর্স দেখাতে বলবে।
আর সাধারণ একাউন্ট খোলার সময় পেশা বলবেন যে, ফ্রিল্যান্সার এবং আপনি বাহিরের এবং দেশের কিছু ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করে। আর কোনো কিছু লাগবে নাহ এবং ব্যাংক ম্যানেজার আরো খুশি হবে, কারণ তাদের ব্যাংকে টাকার লেনদেন আপনার জন্য বাড়বে।
কিন্তু আমার কথা হল বিকাশ একাউন্টে কি কোন হিসাব নাই? ধরো তুমি মাসে কয়েক লাখ টাকা ট্রানজেকশন করলা তাহলে এটার কি কোন স্টেটমেন্ট দিতে হবে না?
বিকাশ , নগদ কিংবা অন্যান্য যত MFS আছে, তারাও সবকিছু monitoring করে এবং আপনি যদি ভুলেও কোনো পুলিশের নজরে আসেন। তারপর থেকে আপনার জীবনের কালো অধ্যায় শুরু হয়ে যাবে।
আর MFS গুলো কখনো আপনাদের লেনদেন নিয়ে মাথা ঘামায় নাহ, তার একটি মাত্র কারণ তাদের Revenue এর মূল উৎস হচ্ছে, আপনি কিংবা অন্যান্য MFS ব্যবহারকারী। যেখানে বাহিরের দেশের MFS গুলো কোনো ট্রান্সজেকশন ফি নেয় নাহ Send Money করার ক্ষেত্রে, সেখানে বাংলাদেশের MFS গুলো রক্তচোষার মতো জনগণের টাকা নেয়। এরপরে আপনার টাকা তোলার ক্ষেত্রে তো তাদের ফি গলার কাটার মতো । কিন্তু ব্যাংকে আপনি কত টাকা পাঠাবেন কিংবা তুলবেন, সেটিতে ওমন ফি নেই। শুধুমাত্র cross-banking এর ক্ষেত্রে ১০ টাকা NPSB ফি দিতে লাগে এবং অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম থেকে টাকা তুললে সম্ভবত সর্বোচ্চ এখন ৩০টাকা লাগে এবং আপনি একবারে ২০,০০০ টাকা তুলতে পারবেন। আর MFS গুলো কেমন ফি নেয় , সেটি আর বলতে হবে নাহ।
