। এখন শুধু অপেক্ষায় আছি যে, আজকে দিন শেষে ETF এর Outflow হবে নাকি Inflow হবে এবং Michael Saylor এর বিটকয়েন ক্রয়ের টু্ইট কখন আসবে। যদি ETF এর Inflow হয় এবং Michael Saylor ও টুইট করে, তাহলে এখান থেকে হয়তো আমরা একটা পাম্প আশা করতে পারে, কিন্তু সেট অবশ্যই অল্প সময়ের জন্য হবে।

ভাই এই মাত্র দেখতে পেলাম Michael Saylor টুইটারে পোস্ট করেছে, MSTR কোম্পানি প্রতি সপ্তাহে বিটকয়েন ক্রয় করে যাচ্ছে। আজকে তারা ঘোষণা দিয়েছে, এই সপ্তাহে ৩৫৬ মিলিয়ন ডলার দিয়ে ৩০৮১ টি বিটকয়েন কিনেছে। MSTR টোটাল হোল্ডিং ৬৩২,৪৫৭ টি বিটকয়েন হোল্ড করেছে।
ওইতো আমি আগের পোষ্টটি করার কিছুক্ষণ পরে দেখি Saylor টুইট করেছে, তাই আর আমি নিজে ওটি নিয়ে লেখি নাই। ভাবলাম আপানদের কেউ নাহ কেউ হয়তো লেখবেন এবং সকলের মার্কেট নিয়ে আলোচনাও হয়ে যাবে। যাইহোক এই টুইটটা তেমন কোনো প্রভাব রাখতে পারে নি আমার মতে। কারণ সকলে এখনো neutral হয়ে আছে এবং আমাদের এখন একটা ভালো খবর দরকার, যেটি সকলে bullish করে তুলবে।

যাইহোক, আজকে বিটকয়েনের দাম $১১০k নেমেছিলো, কিন্তু এখন কিছুটা বেড়েছে, বর্তমানে $১১২k রয়েছে। হয়তো আরও কিছুটা পাম্প করতে পারে।
কি আর পাম্প ভাই, মার্কেট পুরাই লাল হয়ে গেছে। আর আপনি যে ১১২ হাজারে দেখেছেন, এটা বলা যায় যে Michale Saylor এর টুইটের কারণেই হয়েছে। আসল কাহিনী কালকে দেখা যাবে যে, ETF এর Inflow নাকি Outflow হইলো। তবে মার্কেট এখান থেকে আবার বৃদ্ধি পাবে, এটা বলা যায়। কিন্তু সেটি কখন ঘটতে পারে, সব নির্ভর করবে বিভিন্ন ভালো খবর এবং ETF এর Inflow এর উপর - এটি আমি মনে করি।
এখন আমার একটা প্রশ্ন? MSTR যেভাবে বিটকয়েন জমা করতেছে, তাতে মনে হয় তারা শিগ্রই সেল করবে না, হয়তো তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। আরও অন্যান্য কোম্পানি গুলো হোল্ডিং করা শুরু করেছে, যদি তারা বিক্রি না করে তাহলে কি ২০২২ সালের মতো বিটকয়েনের দামের পতন হবে? নাকী ভবিষ্যতে বড় ধরনের পতন হওয়ার সম্ভাবনা কম রয়েছে?
আপনি ETF এর বিষয়টি এখনো জানেন কি নাহ, তবে মার্কেটে ২০২২ সালের মতো ধস দেখতে পারি। যদি সাধারণ স্টক মার্কেটে কোনো ধরনের ধস চলে আসে এবং ETF এর Outflow বেশি পরিমাণে শুরু হয়ে যায়। সেই সাথে যদি whales রা বিক্রি শুরু করে, তাহলে সকলে panic করবে । আর এটিই যথেষ্ট হবে, মার্কেটে ধস নিয়ে আসার জন্য। তাই শুধুমাত্র একটি বিষয় দেখলে হবে নাহ, বরং অনেকগুলো বিষয় একসাথে হইতে পারে ওমন ধস মার্কেটে আনার জন্য।
আমার মনে হয় বিটকয়েনের পাম্প শেষ। ১২৪কে ছিলো হাইয়েস্ট। এখন ইথেরিউম আপ সাইডে যাবে এবং সবার আশার অল্ট সিজন শুরু হবে।আপনারা কি বলেন?
আমার সেটি মনে হয় নাহ। ১২২ হাজারে নতুন সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করার পরেও বিটকয়েন এমন ডাম্প কিংবা কারেকশন করেছিলো। যদিও ডাম্পের পরিমাণটা কম ছিলো, কিন্তু এরপর তো আবার পাম্প হওয়ার পর ১২৪ হাজারে পৌছাইছে। তাই আমার মনে হয়, একটু সময় লাগবে এবং বিটকয়েন আবার পাম্প করবে।
আমি একটি টুইটে পড়ে দেখলাম একজন বিটকয়েন whale তার বেশিরভাগ বিটকয়েন বিক্রি করে এবং ইথিরিয়াম ক্রয় করেছে। আর তার এই বিক্রির কারণেই মূলত গতদিনের বিটকয়েন মূল্য অধপতন দেখা দিয়েছিলো বলা যায়। এইটা একধরনের সংকেত বলা যায়, ইথিরিয়ামের মূল্য আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। আর অল্টকয়েনের বিষয়টা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে যে, বিটকয়েন sideways এ চলবে কি নাহ। কারণ বিটকয়েনের মূল্য যদি আবার হঠাৎ করে কমে যায় , তাহলে ইথিরিয়ামও কমে যেয়ে হয়তো বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু অল্টকয়েনগুলো খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
এখন বর্তমানে বিকাশ একাউন্টে টাকা ঢুকাই কারণ ব্যাংক থেকে আমাকে অলরেডি স্টেটমেন্ট দিতে বলেছিল আমার আরনিং সোর্স এর।
আপনার কি ব্যাংক একাউন্ট student নাকি? কারণ সাধারণ ব্যাংক একাউন্টে কখনো আর্নিং সোর্স দিতে বলে নাহ, আমাকে কোনোদিন বলেনি আর কি। তবে যেই একাউন্টটা student হিসেবে খোলা হয় এবং আপনি ৫০ হাজারের উপরে লেনদেন করতে যাবেন, ব্যাংক আপনার একাউন্ট Freeze করবে এবং আর্নিং সোর্স দেখাতে বলবে।
আর সাধারণ একাউন্ট খোলার সময় পেশা বলবেন যে, ফ্রিল্যান্সার এবং আপনি বাহিরের এবং দেশের কিছু ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করে। আর কোনো কিছু লাগবে নাহ এবং ব্যাংক ম্যানেজার আরো খুশি হবে, কারণ তাদের ব্যাংকে টাকার লেনদেন আপনার জন্য বাড়বে।
তখন এক বন্ধুর সাথে আমি সিটি ব্যাংকে যাই অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য কারণ সিটি ব্যাংক এর সার্ভিস অন্যান্য গুলো থেকে ভালো, যখন একাউন্ট খোলার জন্য যাই তখন মূলত তারা স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে ছিল না, যেহেতু ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার এর সাথে আমার বন্ধুর ভালো সম্পর্ক ছিল তাই সে বলল একটা জেনারেল সেভিংস একাউন্ট খোলা যেতে পারে অনেকটাই স্টুডেন্ট একাউন্ট এর মতনই, কিন্তু এইখানে আমার আর্নিং সোর্স হিসেবে দেখাতে হবে যে আমার বাবা আমাকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ একটা টাকা দেয় তো তখন আমি আমার বাবার আয়কর রিটার্ন কপি নিয়ে, টিন সার্টিফিকেট নিয়ে একাউন্টটা খুলি।
আপনি তো ভুলটা করছেন একাউন্ট খুলার সময়ে, ওই ম্যানেজার যেহেতু আপনার একাউন্টটাকে আপনার বাবার নমিনিতে রেখে করে দিয়েছে। তাহলে ব্যাংক তো আপনার একাউন্টের উপর তদারকি করবেই এবং লেনদেনে সীমা অতিক্রম করলে আপনার কাছে কাগজপত্র চাইবেই।
সবচেয়ে ভালো হয়, ওই একাউন্টটা বন্ধ করার পর নতুন করে আর একটি নিজের একাউন্ট তৈরি করা। আর যেই ব্যাংক বেশি কাগজপত্র চাইবে, সেখানে একাউন্ট খোলাই দরকার নাই। আর ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে যখন business একাউন্ট খোলে তখন ট্রেড লাইসেন্স এবং অন্যান্য কাগজপত্র চায়। তাই ভালো সাধারণ একাউন্ট খুলবেন, কিন্ত বলবেন যে, সাধারণের মধ্যে যেটি এটিএম দিয়ে লাখে প্রতিদিন টাকা তুলা যায় সেটির একাউন্ট করে দিতে।
এখন আসি ফ্রিল্যান্সার এর কথায়, এখানে আমি পরামর্শ চাইবো যে আমি কি ডকুমেন্টস দেখাবো? কারণ আমাদের আর্নিং তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ক্রিপ্টো থেকে, আর ক্রিপ্ত তো বাংলাদেশে অবৈধ। আর আমরা ডলার টা পাই হল ক্রিপ্টো ওয়ালেটে বা বাইনান্সে এইটা তো আর স্টেটমেন্ট হিসেবে দেখানো যাবে না।
ভাই বাংলাদেশে ক্রিপ্টো অবৈধ বললে ভুল হবে। কারণ stablecoin ও কিন্তু ক্রিপ্টোর মধ্যে পড়ে এবং সেটি অবৈধ নয় । তার চেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশে ক্রিপ্টো ব্যাংকিং লেনদেন নিষেধ এবং অবৈধ বললেও ভুল হবে বলা যায়।
আপনাদেরকে একটি বুদ্ধি দেই, যারা ডকুমেন্টস নিয়ে চিন্তা করেন। আপনারা একটি নির্দিষ্ট ওয়ালেটে সবসময় stablecoin এর লেনদেন রাখবে এবং সেটিই আপনার ডকুমেন্টস হিসেবে কাজ করবে। উদাহরণ হিসেবে, আপনি যদি বিটকয়েন কিংবা ইথিরিয়ামে কিংবা অন্য কোনো টোকেনে পেমেন্ট পান, তাহলে সেটিকে stablecoin এ পরিবর্তন করবে একটি ভিন্ন এক্সচেঞ্জ ব্যবহার করে। এরপর সেই stablecoin আপনার নির্দিষ্ট ওয়ালেটে পাঠাবেন এবং সেটি ওয়ালেট থেকে আবার আপনার মূল এক্সচেঞ্জে পাঠাবেন, যেখানে আপনারা P2P এর মাধ্যমে বিক্রি করবে। এভাবে যদি লেনদেনটা সম্পূর্ণ করলে আপনার বিপদের সময় সেই ওয়ালেটের ট্রান্সজেকশনগুলো আপনারা প্রমাণ হিসেবে দেখাবেন যে, আপনি stablecoin এ পেমেন্ট নিয়েছে আপনার কাজের এবং বাংলাদেশ ব্যাংক তো stablecoin অবৈধ বলে নাই।
এরপরও অন্যান্য বিষয় রয়েছে, সেগুলো আপনারা মাথা খাটাইলে পার পেয়ে যাবেন। আমি তো আর সবকিছু এই জনসমক্ষে বলবো নাহ, নইলে তো ভাত তুলে খাইয়ে দেওয়া হয়ে যাবে।

আবার ফ্রিল্যান্সার বললে তারা ফ্রিল্যান্সিং কার্ডও যায়, ঘটনা হইল ফ্রিল্যান্সিং কার্ড তো বাড়ানো যায় কিন্তু যদি তারা আমাকে কাজ শো করতে বলে আমি তখন কি কাজ দেখাবো?
ওই ফ্রিল্যান্সিং কার্ড কেউ করেও নাহ, কারণ গত সরকার ওই কার্ড চালু করেছি তাদের নিজস্ব স্বার্থে। বাংলাদেশের বাঘাবাঘা ফ্রিল্যান্সারদের সাথে কিছু পরিচয় আছে, তারা ওই কার্ড কখনো করে নাই। আর এক ভাইকে গতমাসে পোষ্ট করতে দেখলাম যে, কিছু মন্ত্রী তাদের কালো টাকা পাচারের জন্যই মূলত ওই কার্ড আর সংস্থাটা তৈরি করেছিলো। আর ওই কার্ড দিয়ে তেমন কোনো সুবিধা নাই। আপনাকে ব্যাংকে যেয়ে আবার একই পেরা নিতে লাগবে। এর থেকে ভালো ওই কার্ড নাহ করার।
আর ব্যাংক কার্ড চাইলে বলবেন যে, কার্ড করি নাই এবং কাজ করে তেমন সময় হয় নাহ, ওই কার্ড আবার কখন Renew করবো ? আর ব্যাংক মনে হয় নাহ, আপনার থেকে এত কাগজ চাইবে।
আর ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন এর বিষয়টা সম্পর্কে আপনার কোন অভিজ্ঞতা আছে বা পরামর্শ?
ফ্রিল্যান্সারদের তো কোনো প্রকার ট্যাক্স রিটার্ন জমা করতে লাগে নাহ, তাহলে তো এটির প্রশ্নই আসে নাহ। বরং সরকার এবং ব্যাংকগুলো আপনাকে incentive দিবে যদি আপনার ইনকামের মাধ্যমগুলোর বিস্তারিত কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দেন।